২৪ঘণ্টা অনলাইন : দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় জনগণের সতর্ক অবস্থানের কারণে এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
গত ৪ জুন থেকে ৬ জুন ভোর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও শেরপুর জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় একাধিক পুশইনের ঘটনা ঘটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ২৮ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করলে বিজিবির বাধার মুখে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। দুই দিন পর বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হলে দীর্ঘ সময় শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর বিএসএফ তাদের নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়।
লালমনিরহাটের পাঁচটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলেও বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে তা সম্ভব হয়নি। পরে বিএসএফ তাদের সরিয়ে নেয়।
মেহেরপুরের তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ছয়জনকে, পঞ্চগড়ে ১০ জনকে এবং ঠাকুরগাঁওয়ের মশালগাঁও সীমান্তে শিশুসহ ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। সব ক্ষেত্রেই বিজিবি সফলভাবে বাধা দেয়।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তেও ৫ থেকে ৬ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল বিএসএফ। তবে বিজিবির নজরদারি ও স্থানীয়দের সতর্কতার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও প্রচলিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো ধরনের পুশইন গ্রহণ করা হবে না। সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে এবং যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
