২৪ঘণ্টা অনলাইন: নতুন জাতীয় বাজেটকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির রূপরেখা তুলে ধরেছে।
দলটির প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রথম বছরেই নতুন স্কেলের শতভাগ মূল বেতন কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় বছরে শতভাগ ভাতা কার্যকরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম বছরে ৫০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে বাকি ৫০ শতাংশ মূল বেতন সমন্বয়ের প্রস্তাব রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ভাতা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে তৃতীয় বছরে।
এ ছাড়া বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় টিফিন, যাতায়াত, চিকিৎসা ও শিক্ষা ভাতা পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ করেছে দলটি।
এদিকে সরকারও নতুন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ লক্ষ্যে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার চিন্তা করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রেডে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন পর নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
