শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

কৃষক কার্ডে মিলবে ভর্তুকি, কমবে মধ্য-স্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত - ০৪ জুলাই, ২০২৬   ০৮:৩৭ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন : কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে শিগগিরই চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে এবং ভর্তুকি, প্রণোদনা ও সরকারি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

৪ জুলাই চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড শুধু ধান, গম বা পাটচাষিদের জন্য নয়। লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও এর আওতায় আসবেন। এতে দেশের কৃষি উৎপাদন, চাহিদা ও কৃষকের প্রকৃত তথ্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষিত হবে।

তিনি বলেন, উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় অনেক সময় কৃষক ন্যায্যমূল্য পান না। এই সমস্যা কমাতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সৌরশক্তি-চালিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকরা পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারবেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। পাশাপাশি সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন, কৃষি ভর্তুকি ও বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

খাদ্য উৎপাদনে দেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমিত আবাদযোগ্য জমি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু ক্ষেত্রে আমদানির প্রয়োজন হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম পরিপক্ব ধানের জাত এবং আধুনিক কৃষি-যন্ত্র উদ্ভাবনে গবেষণা চলছে।

চট্টগ্রাম ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জেলেদের সুরক্ষায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখা এবং জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, চর অপসারণ এবং উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদারেও নতুন প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন