২৪ঘন্টা অনলাইন: প্রথমবারের মতো একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে ঢালিউড তারকা আরিফিন শুভ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ অভিনয় করছেন এই দুই তারকা। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।
এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চরকির কনটেন্টে ফিরছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, কেয়া পায়েলের জন্য এটি চরকির সঙ্গে প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ (এমওএল) প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সিনেমাটি সহ-প্রযোজনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ছবিয়াল’।
নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, সমকালীন সম্পর্ক, পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটির গল্প। তার ভাষায়, ভিন্ন প্রজন্ম ও ভিন্ন জীবনদর্শনের দুই মানুষের মানসিকতা, সম্পর্ক এবং সমাজকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি এই চলচ্চিত্রে উঠে আসবে।
সিনেমাটিতে আনিস চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। সাধারণত অ্যাকশনধর্মী বা শক্তিশালী চরিত্রে দেখা গেলেও এবার তাকে একেবারে ভিন্ন আবহে দেখা যাবে। শুভ বলেন, “এ ধরনের চরিত্রে আগে কাজ করিনি। দর্শক আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে সেভাবে দেখবেন না।”
গল্পের অন্য প্রধান চরিত্র অনামিকায় অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। আধুনিক নগরজীবন, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব এবং ভার্চুয়াল স্বপ্নে ঘেরা এক তরুণীর চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।
নতুন এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত কেয়া পায়েল। তিনি বলেন, “আরিফিন শুভ ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম কাজ, চরকির সঙ্গে প্রথম প্রজেক্ট এবং নির্মাতা জাহিদ প্রীতম—সব মিলিয়ে কাজটি আমার জন্য বিশেষ। চরিত্রটিতেও অভিনয়ের নানা স্তর রয়েছে, যা দর্শকদের নতুনভাবে আমাকে দেখার সুযোগ করে দেবে।”
চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রা তুলে ধরা হয়। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ও সেই ধারার একটি ব্যতিক্রমী সংযোজন।
প্রকল্পটির সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিনি বলেন, গল্পে দুই মানুষের ভাবনার সংঘাত, খুনসুটি ও বোঝাপড়ার চেষ্টার বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করেছে। পাশাপাশি দুই প্রধান শিল্পীকেও দর্শক ভিন্ন আঙ্গিকে দেখতে পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, চরকিতে আরিফিন শুভর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কনটেন্ট ছিল ‘উনিশ২০’। আর ‘ঘুমপরী’র পর ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ নিয়ে আবারও দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।
