শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের প্রসারে যৌথ উদ্যোগ

প্রকাশিত - ২১ জুলাই, ২০২৬   ০৮:৩৭ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : পাট ও পাটজাত পণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও কার্যকর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথভাবে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশের পাটখাতের কৌশলগত অর্থনৈতিক কূটনীতি ও রপ্তানি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সমন্বয় সভা।

২১ জুলাই অনুষ্ঠিত এ সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন এবং শিগগিরই আন্তর্জাতিক মানের একটি পাট এক্সপো আয়োজনের ঘোষণা দেন।

সভায় দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তর, পাটশিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী সোনালী আঁশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনী এবং আন্তর্জাতিক প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করে পাটজাত পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টি ও রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এ উদ্যোগের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, পাটের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, যৌথ কার্যনির্বাহী গ্রুপ জাতীয় পর্যায়ে পাট প্রদর্শনীর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং পাটকল আধুনিকায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে।

এছাড়া প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক পাট এক্সপোতে দেশি-বিদেশি ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও গবেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে পাটজাত পণ্যের ডিসপ্লে সেন্টার ও গিফট শপ স্থাপন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাটের তৈরি স্কুল ব্যাগ সরবরাহ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভা শেষে দুই মন্ত্রণালয় পাটকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব জৈব-বৃত্তাকার শিল্পে রূপান্তর, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে জলবায়ুবান্ধব পাটপণ্যের নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন