২৪ ঘণ্টা অনলাইন : জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন জনদাবি সামনে রেখে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে লং মার্চ, রেলযাত্রা এবং আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ।
৬ আগস্ট রাজধানীতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ১১ দফা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; এটি দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের দাবিপত্র। জনগণের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, দেশে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে। এসব সমস্যার সমাধান এবং বৈষম্য দূর করার দাবিতে আন্দোলন চলছে। একই সঙ্গে হত্যা, লুটপাট ও বিভিন্ন অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দাবিও আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলনে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে তা সফল হবে না। অতীতের মতো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, লং মার্চ নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাবেই।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত কর্মসূচি, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া অভিমুখে লং মার্চ, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত রেলযাত্রা এবং ১৪ নভেম্বর রাজধানীতে মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
সিলেটগামী কর্মসূচি সড়কপথের পরিবর্তে রেলপথে আয়োজনের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কম হবে।
এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ১৪ নভেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনার সমালোচনা করে সরকারকে এ ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
