২৪ ঘণ্টা অনলাইন : পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য ও অতনু হাজরার দাম্পত্য জীবনের ২৯ বছর পেরিয়ে ৩০ বছরে পা দিল। বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। সেখানে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে বিয়েকে উল্লেখ করেছেন তিনি।
অপরাজিতা লিখেছেন, জীবনের বিভিন্ন সময়ে তাকে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। অনেক সময় তাকে বুঝে ওঠার আগেই বিচার করা হয়েছে। তবে শ্বশুরবাড়িতে তিনি এমন এক পরিবেশ পেয়েছেন, যেখানে কখনো নিজেকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হয়নি।
তার ভাষায়, নিজের কোনো ভুল হলেও পরিবারের সদস্যরা শুধু ভুলটুকু দেখেননি। বরং তার কাজের পেছনে ভালো কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে—এমন বিশ্বাস রেখেছেন তারা। তার অসম্পূর্ণতার মধ্যেও ভালো দিকগুলো খুঁজে নিয়ে তাকে যেমন ছিলেন, তেমনভাবেই গ্রহণ করেছেন।
অভিনেত্রীর মতে, এই নিঃশর্ত গ্রহণযোগ্যতাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তিনি গুরুজনদের আশীর্বাদ নিয়ে ভবিষ্যতের পথও স্বামী অতনুর সঙ্গে ভালোবাসা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে পাড়ি দিতে চান।
বিবাহবার্ষিকীর পোস্টে জীবনের বিভিন্ন সময়ে পাশে থাকা মানুষদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান অপরাজিতা। পাশাপাশি স্বামীর হাত ধরে বাকি জীবনটাও একসঙ্গে কাটানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বিশেষ এই দিনে কলকাতার গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপরাজিতা তার অভিনয়জীবনের শুরুতেও ফিরে তাকান। তিনি জানান, তার প্রথম সিনেমার পরিচালক জগন্নাথ গুহর অবদান তার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি জীবনসঙ্গী অতনুর সঙ্গে পরিচয়ের পেছনেও এই প্রয়াত নির্মাতার ভূমিকা ছিল।
তাই বিবাহবার্ষিকীর দিনে প্রয়াত পরিচালক জগন্নাথ গুহকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন এই অভিনেত্রী।
