শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশ-তুরস্কে বাড়ছে বিমান ও পর্যটন সহযোগিতা

প্রকাশিত - ০১ অক্টোবর, ২০২৬   ১০:৪৫ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিমান যোগাযোগ, পর্যটন, বিনিয়োগ ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয় পক্ষ।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সংস্কৃতি, পর্যটন, সৃজনশীলতা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়। বর্তমানে টার্কিশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আরও তিনটি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহকে স্বাগত জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ আরও বাড়বে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

পর্যটন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে তুরস্কের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশটির অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য তুরস্কের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার বিষয়টিও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, ভিসা সুবিধা সহজ হলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন আরও বাড়বে।

বৈঠকে বিমান চলাচল, পর্যটন, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদারে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন