মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় গ্রিড পুনরুদ্ধার, ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্র

প্রকাশিত - ২৭ অক্টোবর, ২০২৬   ০৩:৫০ পিএম
webnews24

জাতীয় গ্রিডের পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে গ্রিডের পুনরুদ্ধারকাজ শেষ হয়। বর্তমানে বিদ্যুতের সব গ্রিড লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালু রয়েছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করায় উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিং কমে আসবে বলে জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।

এর আগে দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে রাজধানীর ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। একই সময়ে চট্টগ্রামের একাংশেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার তাৎক্ষণিক কারিগরি কারণ জানা যায়নি। ঘটনার পর জাতীয় গ্রিডের সিস্টেম পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। ন্যাশনাল লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সব গ্রিড লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালু রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করা হচ্ছে। উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিং কমে আসবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে পিজিবিপি।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
মোংলা কাস্টমস হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, বাণিজ্যিক জাহাজের বিদেশি নাবিকদের ভয়ভীতি দেখানো এবং চোরাচালানের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ২৫ অক্টোবর মোংলা কাস্টমস হাউজের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মোংলা বন্দর কাস্টমস ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশন, শিপ চ্যান্ডলার ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বাণিজ্যিক জাহাজে আসা বিদেশি নাবিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করেন।
বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন ৩ গ্রামে বাঘের উপস্থিতির খবরে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। খুড়িয়াখালী, সোনাতলা ও রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভোলা নদীর চরে একটি মৃত গরুর দেহাবশেষ ও বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়ার পর সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন স্থানীয়রা। বাঘের সম্ভাব্য বিচরণ ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি বন বিভাগ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করে সতর্ক করছেন।