রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, বাজারের তারল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় সংগঠনটি।

শেয়ারবাজারের মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ

প্রকাশিত - ৩১ অক্টোবর, ২০২৬   ১০:৫৭ পিএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, বাজারের তারল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় সংগঠনটি। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে সংগঠনটি।

বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের মূলধনি মুনাফার ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতি আছে ও অতিরিক্ত মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। ডিবিএ ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য পূর্ণ কর অব্যাহতি পুনর্বহাল এবং বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছে। সংগঠনটির মতে, এ উদ্যোগ লেনদেন বৃদ্ধি, মুনাফার পুনর্বিনিয়োগ, দেশীয় সঞ্চয়ের উৎপাদনশীল ব্যবহার এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইকুইটি অর্থায়নে সহায়ক হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আয়কর আইন, ২০২৩ এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন করা এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তিকৃত যোগ্য লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে। তবে স্পন্সর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর উপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত সংগঠনটির।উল্লেখ্য, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজতর হবে বলে মনে করে ডিবিএ। এই বিবেচনায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফার ওপর কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ।

সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। একইঙ্গে এটি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। একইসঙ্গে শেয়ারবাজারের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
ক্রেতাদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত পণ্যের সঙ্গে সরবরাহ করা পণ্যের মিল থাকে না। কোথাও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছায় না, আবার কোথাও অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-কমার্স খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। পণ্যের সঠিক বিবরণ, মূল্য, সরবরাহের সময়সীমা এবং ফেরত নীতিমালা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত। এ ছাড়া অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণার শিকার হলে ভোক্তারা যাতে সহজেই অভিযোগ জানাতে পারেন, সে জন্য কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করা গেলে অনলাইন ব্যবসার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং দেশের ডিজিটাল বাণিজ্য খাত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ দেয়া হবে।
বাড়তি দামের জন্য কমিশন, পরিবহন ব্যয় ইত্যাদি নানা যুক্তি দেখাচ্ছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো
২৪ঘণ্টা অনলাইন: ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ২৬ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার লেটার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের...