রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
স্বাস্থ্যসচেতনতার অংশ হিসেবে অনেকেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মধু রাখতে পছন্দ করেন। তবে বাজারে মধু কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা, গুণগত মান ও নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

কীভাবে চিনবেন খাঁটি মধু

প্রকাশিত - ৩১ অক্টোবর, ২০২৬   ১১:৫১ পিএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: স্বাস্থ্যসচেতনতার অংশ হিসেবে অনেকেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মধু রাখতে পছন্দ করেন। তবে বাজারে মধু কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা, গুণগত মান ও নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। অনেক সময় বিশেষ করে শীতের দিনে মধু রাখার বোতল খুললে অনেক সময় তা জমে যেতে দেখা যায়। অনেকের ধারনা ,মধু জমে যাওয়া মানেই তা ভেজাল মেশানো। আসলেই কি তাই? এ বিষয়ে নানা তথ্য জানানো হয়েছে ‘টিভিনাইনে’র এক প্রতিবেদনে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমেই খেয়াল রাখুন মধু জমছে কি না। মধু জমে যাওয়া অর্থ ভেজাল নয়, বরং এটি খাঁটি হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ক্রিস্টালাইজেশন’। খাঁটি মধু ঠান্ডায় জমবেই। মধু তৈরির সময় যদি অতিরিক্ত তাপ ব্যবহার করা হয় বা তাতে প্রচুর ভেজাল মেশানো থাকে, তবে সেই মধু সবসময় তরলই থাকে, শীতকালেও সহজে জমে না।

বোতলজাত মধু কেনার সময় বোতলের লেবেল যাচাই করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ, প্রস্তুতকারকের পরিচয় এবং বোতলের সিল ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। উপাদানের তালিকায় বাড়তি চিনি বা অন্য মিষ্টি দেওয়া আছে কি না, তা দেখে নিন। মধুতে প্রাকৃতিকভাবেই গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। তাই শর্করার উল্লেখ থাকলেই মধু ভেজাল, এমন ধারণা ঠিক নয়।

মধুর রং বা ঘনত্ব দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। ফুলের উৎসের উপর নির্ভর করে মধুর রং হালকা থেকে গাঢ় বাদামি হতেই পারে। আবার পাতলা মধু মানেই ভেজাল, আর ঘন মানেই খাঁটি, এই ধারণারও কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ কারণে রাস্তাঘাটে ‘মৌচাক থেকে সরাসরি ভাঙা’ মধু বলে যা বিক্রি হয়, তা যাচাই না করে কেনা একেবারেই উচিত নয়।

মনে রাখবেন, মধুতে প্রাকৃতিকভাবেই গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্করা দিনে এক থেকে দুই টেবিল চামচ মধু অনায়াসেই খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এক বছরের কম বয়সি শিশুদের কখনওই মধু খাওয়ানো উচিত নয়। কারণ, খাঁটি মধুতেও অনেক সময় বটুলিজম রোগের জীবাণু থাকতে পারে। এই জীবাণু ছোট শিশুর শরীরে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
জ্বর হলেই গলা ব্যথা, গায়ে ব্যথা দোসর হয়। এমন সময়ে গরম খাবারে স্বস্তি মেলে। তবে ঘন ঘন চা-কফি খেলে উপকারের বদলে ক্ষতি বেশি হতে পারে। এই সময়ে এমন খাবার বেছে নিন যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
ওজন বেড়েছে। উৎসবের অজুহাতে ভালমন্দ খেয়েছেন, তার প্রভাব শরীরে দেখা দিতেই পারে। তাই এই সব বাড়তি ক্যালোরি দ্রুত ঝেরে ফেলা জরুরি। নিয়মিত যোগাসন সব সময়েই শরীরের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত কার্যকর। কোন কোন ব্যায়াম করলে ওজন কমবে, তা জেনে রাখা জরুরি।
চাইলে মাছের ডিম দিয়েও তৈরি করা যায় দারুণ সব পদ