রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি ও পুলিশের বিশেষ শাখার প্রধান কার্যালয়ের পার্কিং এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। পার্কিংয়ে রাখা একটি গাড়ির বনেটের ওপর পড়ে বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন।

মালিবাগে সিআইডি-এসবি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশিত - ০৮ নভেম্বর, ২০২৬   ১০:২১ পিএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: ২৪ঘন্টা অনলাইন : রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান কার্যালয়ের পার্কিং এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একটি গাড়ির বনেটের ওপর পড়ে বিস্ফোরিত হয় ককটেলটি। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

৮ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সিআইডি ও এসবির প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পার্কিংয়ে রাখা একটি গাড়ির বনেটের ওপর ককটেলটি পড়ে বিস্ফোরিত হয়।

ঘটনার পর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিআইডি ও এসবির কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং কীভাবে ককটেলটি কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছাল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের পরিচয় জানার অপেক্ষা রয়েছে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সাভার, আশুলিয়া, মিরপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকায় চলছে টহল। পাশাপাশি প্রযুক্তির মাধ্যমে সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।
সৌদি আরবের জেদ্দায় মদিনা থেকে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। নিহতদের সবাই কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা এবং আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। দুর্ঘটনায় একটি ট্রাক বাংলাদেশিদের বহনকারী গাড়িকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ঘটনার বিস্তারিত জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট।