শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানবাহনের ধীরগতি

প্রকাশিত - ১৯ মার্চ, ২০২৬   ১২:৪৯ পিএম
webnews24
২৪ঘণ্টা অনলাইন

ঈদের বাকি আর মাত্র দুইদিন। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতি রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, মাক্রোবাসে জীবনে ঝুঁকি  নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। এছাড়াও মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলেই বেশি দেখা গেছে। যাত্রীরা যাতায়াতে ব্যবহার করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার। সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার জন্য অনেকেই খোলা ট্রাক-পিকআপে করে যাচ্ছেন।

এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। একদিন আগের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পার হয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত ৪ দিনে সেতুর ওপর দিয়ে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় রাত থেকে ভোর পর্যন্ত এ ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছিল। 

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট যাতে না হয়, সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চালক ও যাত্রীরা নিবিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন