শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

আরও ৫ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত - ১৯ এপ্রিল, ২০২৬   ১২:৩১ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার আরও ৫ কোটি ডলার কিনেছে। টানা দেড় মাস বিরতির পর আগের দিন বুধবার কিনেছিল ৭ কোটি ডলার। ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এ ডলার কেনা হয়েছে। এর আগে সব শেষ গত ২ মার্চ আড়াই কোটি ডলার কেনা হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সায়। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থবছর বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোট ৫৬১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ফের ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে গতকাল গ্রস ৩৫ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। আগের দিন যা ছিল ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী ৩০ দশমিক শূন্য ৩৭ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে।গত মাসে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মাসের দায় বাবদ প্রায় ১৩৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৪ দশমিক ১০ ও ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে গত ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা ২ হাজার ৭৯৯ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২০ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ।

আওয়ামী লীগ সরকারের শেষদিকে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোরতার পর রেমিট্যান্সের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার আসার পর আন্তঃব্যাংকে ডলার দর ১২২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সামান্য বেড়ে এ পর্যায়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, রিজার্ভের এই অবস্থান ধরে রাখতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আবার এই মুহূর্তে যেন টাকা বেশি শক্তিশালী না হয়, সেটিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য। যে কারণে বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক উৎস থেকে ডলারে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন