শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ইবোলায় মৃত বেড়ে ১৩১ ছড়াচ্ছে নতুন এলাকাতেও

প্রকাশিত - ২০ মে, ২০২৬   ১২:১৯ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আনুমানিক ১৩১ জনে পৌঁছেছে। দেশটিতে আনুমানিক আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এ মহামারিতে ৩৫০টি সন্দেহভাজন আক্রান্তের মধ্যে ৯১ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয়া হয়েছিল।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

সাম্প্রতিক এ প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলার কোনো টিকা বা চিকিৎসা এখনো নেই। গত অর্ধশতকে আফ্রিকায় এ রোগে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

স্যামুয়েল রজার কাম্বা রাতে কঙ্গোর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ‘আমরা মোটামুটি ১৩১ জনের মৃত্যুর তথ্য পেয়েছি। আক্রান্তের সংখ্যা অন্তত ৫১৩ বলে অনুমান করা হচ্ছে।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এ সংখ্যা এখনো আনুমানিক। ১৩১টি মৃত্যুর সবগুলোই ইবোলাজনিত কি না, তা নিশ্চিত হতে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন। এ পর্যন্ত খুব কম নমুনা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তাই মূল্যায়ন মূলত সন্দেহভাজন আক্রান্তের তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই করা হচ্ছে।

এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গো সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটির আরও বিস্তৃত এলাকায় এখন ইবোলার সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে। পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশের নিয়াকুন্ডে, নর্থ কিভুর বুটেম্বো এবং গোমা শহরেও নতুন সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এতে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

তবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কঙ্গো সরকার। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, সন্দেহভাজন সংক্রমণ শনাক্ত ও তদন্তে জরুরি সাড়া দল কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে। পশ্চিম আফ্রিকায় সে সময় ২৮ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন ১১ হাজার ৩২৫ জন।

 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।