শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

প্যান্টে বসলো রানি মৌমাছি, মুহূর্তে যুবকের পশ্চাৎদেশে চাক বাঁধলো মৌমাছির ঝাঁক!

প্রকাশিত - ০২ জুন, ২০২৬   ১১:৪৩ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : কল্পনা করুন, আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন, হঠাৎ একদল মৌমাছি এসে আপনার শরীরের বিশেষ একটি অংশে বাসা বেঁধেছে! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের জীবনে এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতাই ঘটেছে। ‘ভয়ংকর ৩০ মিনিট’ শিরোনামে এই ঘটনাটির ভিডিও বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যারেজে যাওয়ার সময় হঠাৎ করেই একটি রানি মৌমাছি উড়ে এসে ভেরেল নামের ওই যুবকের প্যান্টের ওপর বসে। রানি মৌমাছির ফেরোমোন বা গন্ধের আকর্ষণে মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার কর্মী মৌমাছি তাকে ঘিরে ফেলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তার পশ্চাৎদেশকেই মৌমাছিরা তাদের নতুন ‘বাসা’ বা চাক হিসেবে বেছে নেয়।

এই পরিস্থিতিতে নড়াচড়া করা মানেই ছিল শয়ে শয়ে হুলের আক্রমণ এবং প্রাণহানির ঝুঁকি। কিন্তু ভেরেল অসীম ধৈর্য ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট একদম স্থির দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার এই নিশ্চল অবস্থানের কারণে মৌমাছিরা তাকে আক্রমণ করেনি।

দীর্ঘ ৩০ মিনিট আতঙ্কে কাটানোর পর, অন্য এক ব্যক্তি খুব সাবধানে রানি মৌমাছিটিকে ধরে একটি পাত্রে বন্দি করতে সক্ষম হন। রানি মৌমাছিটিকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই চাক বাঁধতে থাকা হাজার হাজার মৌমাছি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং ওই যুবক ভয়াবহ বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান।

গত সোমবার (১ জুন) ‘মিডিসারাসু’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিওটি পুনরায় শেয়ার করার পর এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনরা অবাক হয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এমন পরিস্থিতিতে একজন মানুষের ৩০ মিনিট স্থির থাকার মানসিক ক্ষমতা অভাবনীয়। কেউ কেউ লিখেছেন, “একটু নড়লেই সব শেষ হয়ে যেত!”ঘটনাটি গত বছরের আগস্ট মাসে প্রথম ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্যা সান’-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সময়ও এটি বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। যদিও বিরল, তবুও এমন ঘটনা প্রকৃতি ও প্রাণীর আচরণের এক বিস্ময়কর উদাহরণ হয়ে রয়ে গেছে।

 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।