শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

তাপপ্রবাহে ইউরোপজুড়ে দুর্ভোগ, বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

প্রকাশিত - ৩০ জুন, ২০২৬   ০১:১৯ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: ভয়াবহ তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপের মধ্য, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল। রেকর্ড ভাঙা গরমে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে পশ্চিম ইউরোপে তীব্র দাবদাহের পর এবার তাপপ্রবাহটি মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দিকে বিস্তৃত হয়েছে। এরই মধ্যে হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, সার্বিয়াসহ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টস (ইসিএমডব্লিউএফ) জানিয়েছে, হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। সোমবার সার্বিয়ার বেলগ্রেডে ৩৮ ডিগ্রি এবং রোমানিয়ার বুখারেস্টে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাঙ্গেরি সরকার দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে। একই সঙ্গে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভাকিয়া, সার্বিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘রেড এলার্ট’ জারি করা হয়েছে।

জার্মানিতেও তাপপ্রবাহের প্রভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দেশটির ব্র্যান্ডেনবার্গ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা চলতি বছরের অন্যতম সর্বোচ্চ রেকর্ড। অতিরিক্ত গরমে ট্রামলাইনের রেলপথ বাঁকিয়ে যাওয়ায় কয়েকটি শহরে গণপরিবহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।

অন্যদিকে ফ্রান্স ও স্পেনে তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফ্রান্সে এক হাজারের বেশি এবং স্পেনে ৮০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবেই ইউরোপে এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র তাপপ্রবাহের ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ এখন ক্রমবর্ধমান জলবায়ু ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।