শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

কৌশল আর সহমর্মিতায় উজ্জ্বল আনচেলত্তি

প্রকাশিত - ৩০ জুন, ২০২৬   ০৩:০৫ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: জাপানের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে শেষ ষোলো পেরিয়েছে ব্রাজিল। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু জয় নয়, ছিলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তি। কৌশলগত পরিবর্তনে দলের ভাগ্য বদলে দেওয়ার পাশাপাশি পরাজিত জাপানি ফুটবলারদের প্রতি তার মানবিক আচরণও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। ২০০২ সালের পর নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকেও জয় পাওয়ার এমন ঘটনা এই প্রথম। বিশ্লেষকদের মতে, বিরতির সময় আনচেলত্তির কৌশলগত নির্দেশনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

প্রথমার্ধে ছোট পাসের মাধ্যমে জাপানের রক্ষণভাগ ভাঙার চেষ্টা করলেও দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলায় ব্রাজিল। তারা উইং ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের বক্সে ধারাবাহিক ক্রস বাড়াতে থাকে। এর সুফল আসে ৫৬ মিনিটে, যখন গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো

ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি জানান, বিরতির সময় তিনি খেলোয়াড়দের ধৈর্য ধরে নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থাকতে বলেছিলেন। তার বিশ্বাস ছিল, সুযোগ এলে ব্রাজিল গোল করবেই।

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ইনজুরি টাইমে আসে জয়ের মুহূর্ত। ৯৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি-র দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য দেখা যায় শেষ বাঁশির পর। দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও হার মেনে নিতে না পেরে হতাশায় ভেঙে পড়েন জাপানের কয়েকজন ফুটবলার। তখন জয় উদযাপনের পরিবর্তে তাদের কাছে ছুটে যান আনচেলত্তি। সান্ত্বনা দেন, কাঁধে হাত রেখে সাহস জোগান।

ব্রাজিলের তারকা নেইমার, ম্যাথিউস কুনহা  এবং অ্যালিসন বেকার-ও জাপানি খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ান। মাঠের এই মানবিক দৃশ্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।