২৪ঘন্টা অনলাইন : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় শোকের আবহের পাশাপাশি প্রতিশোধের আহ্বানও ছিল স্পষ্ট। শনিবার রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় শেষযাত্রায় অংশ নেওয়া অসংখ্য সমর্থকের হাতে দেখা যায় লাল পতাকা, যা ইরানের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ ইসলামি বলেন, খামেনির অনুসারীরা এই লাল পতাকার মাধ্যমে তাঁর হত্যার জবাব দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত।
ইসলামির ভাষ্য, খামেনির গুরুত্ব কেবল রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামোর কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং লাখো মানুষের কাছে একটি শক্তিশালী প্রতীক ছিলেন।
এদিকে জানাজায় যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষের ঢল নেমেছে তেহরানে। বিপুলসংখ্যক আগত মানুষের আবাসনের জন্য সরকার ৫ হাজারের বেশি স্কুল খুলে দিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, তেহরানসহ বিভিন্ন প্রদেশে ৫ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শ্রেণিকক্ষ তীর্থযাত্রীদের থাকার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, জানাজায় এক কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন। পাশাপাশি বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন।
