শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ইরানের ৮০ লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার দাবি

প্রকাশিত - ০৮ জুলাই, ২০২৬   ১০:৫২ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন:  হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে ইরানের ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্থাপনা এবং জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে অবস্থানরত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ৬০টির বেশি ছোট নৌযানেও হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন বাহিনীর দাবি, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে ইরান এখনো ওই জাহাজগুলোতে হামলার অভিযোগ স্বীকার বা অস্বীকার করেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ও স্বীকার করেনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির কেশম দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির খার্গ দ্বীপ এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সেন্টকম বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক’ এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌপথের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।