২৪ঘন্টা অনলাইন : যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন?
তাহলে নতুন ভিসানীতির পরিবর্তনগুলো জেনে নেওয়া জরুরি। কারণ, এবার বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ম আরও কঠোর করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে থাকার সময়ও চার বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
এর বেশি সময় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হলে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর কাছে আলাদাভাবে মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হবে।
তবে আবেদন করলেই অনুমোদন মিলবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
সবচেয়ে বেশি চাপে পড়তে পারেন পিএইচডি, গবেষণা এবং চার বছরের বেশি সময় লাগে এমন কোর্সের শিক্ষার্থীরা।
কারণ, তাদের পড়াশোনা শেষ করতে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়।
নতুন নিয়মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা একাডেমিক প্রোগ্রাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি বাড়ানো হচ্ছে।
আগের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সহজে এসব পরিবর্তনের সুযোগ থাকছে না।
আরেকটি বড় পরিবর্তন এসেছে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার ক্ষেত্রে।
আগে ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড থাকলেও এখন তা কমিয়ে ৩০ দিন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই নতুন প্রোগ্রামে ভর্তি, অন্য ভিসার আবেদন বা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মতে, নিয়ম মেনে পড়াশোনা করলে আতঙ্কের তেমন কারণ নেই।
সমস্যায় পড়তে পারেন মূলত তারা, যারা স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত ভঙ্গ করেন বা অন্য কাজে ভিসা ব্যবহার করেন।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী রাজু মহাজনের ভাষ্য, নতুন নীতির মূল লক্ষ্য ভিসার অপব্যবহার ঠেকানো।
বৈধ শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে অবস্থান বাড়ানোর সুযোগ পাবেন বলেই তিনি মনে করেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে ভিসা যাচাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ এবং অভিবাসন নীতিতেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে আগ্রহীদের এখন আগের চেয়ে আরও সতর্ক ও নিয়ম মেনে প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
