শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধে নিহত ১৮, আহত ৬২৪ মার্কিন সেনা : পেন্টাগন

প্রকাশিত - ২৮ জুলাই, ২০২৬   ০১:১১ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন :  যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ৬২৪ জন সেনা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক হালনাগাদ তথ্যে এ হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পেন্টাগনের তথ্যমতে, নিহত ১৮ জনের মধ্যে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে। বাকি ৪ জন নিহত হয়েছেন সাম্প্রতিক সংঘাতের সময়। অন্যদিকে, আহত ৬২৪ জনের মধ্যে ৪১৭ জন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানকালে এবং বাকি ২০৭ জন পরবর্তী সংঘাতগুলোতে আহত হন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সংঘাতের ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল ভঙ্গুর এক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে উভয় পক্ষ।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ছোটখাটো হামলা অব্যাহত থাকার পর ৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অপারেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

অপারেশন শেষ হলেও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ বহাল থাকে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানও জাহাজ চলাচলে কড়াকড়ি বজায় রাখে।

অচল অবস্থা কাটাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১৭ জুন ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষর করে দু’দেশ। চুক্তি অনুযায়ী ৬০ দিন হামলা বন্ধ রাখার কথা থাকলেও গত ৭ জুলাই থেকে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক তেলবাহী ট্যাংকারে ইরান ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠলে ফের দুই দেশের মধ্যে পুরোদমে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। টানা ১৩ রাত ধরে চলে পাল্টাপাল্টি হামলা।

তবে সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ জুলাই থেকে সাময়িকভাবে আবারও হামলা বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।