২৪ ঘণ্টা অনলাইন : ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। ২৯ জুলাই দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের (পিএমএফ) অবকাঠামো লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
পিএমএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজধানী বাগদাদসহ ওয়াসিত, নিনেভেহ, বাসরা, কিরকুক, কারবালা ও দিয়ালা প্রদেশে তাদের একাধিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় বিমান হামলা হয়েছে। এতে সামরিক সদরদপ্তর, যানবাহন ও বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পিএমএফের ৩০ নম্বর ব্রিগেড জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে নিনেভেহ প্রদেশে টানা সাতটি বিমান হামলা চালানো হয়। ওই এলাকায় অন্তত ১০ জন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।
২০১৬ সালে ইরাকের নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে একীভূত হওয়া পিএমএফ বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হলেও এর অধীনে একাধিক সশস্ত্র ইউনিট সক্রিয় রয়েছে।
হামলার পরপরই ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি ফালিহ আল-জাইদি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন। একই সময়ে নিনেভেহ ও বাসরা প্রদেশে বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে দেখা গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নির্দেশনায় ইরাকভিত্তিক একটি গোষ্ঠী সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল। সেই ঘটনার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব হামলায় নিজেদের অংশগ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা নতুন করে উত্তেজনা চায় না। তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
