২৪ঘণ্টা অনলাইন : পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমীকরণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগে অংশ নেওয়া তিন দেশই সুন্নি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সামরিক সক্ষমতার দিক থেকেও অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।
| দেশ | সক্রিয় সেনা | সামরিক বিমান | ট্যাংক | নৌজাহাজ | প্রতিরক্ষা বাজেট |
|---|---|---|---|---|---|
| পাকিস্তান | ৬.৬ লাখ | ১,৩৯৭ | ২,৬৭৭ | ১২০ | ৯.১ বিলিয়ন ডলার |
| তুরস্ক | ৪.৮১ লাখ | ১,১০১ | ২,২৮৪ | ১৯২ | ৫১.৪ বিলিয়ন ডলার |
| সৌদি আরব | ২.৪৭ লাখ | ৯১৭ | ১,০৮৫ | ৩২ | ৬৩.৯৯ বিলিয়ন ডলার |
পাকিস্তান জনবলের দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী। প্রায় ২৫ কোটি জনসংখ্যার দেশটির সক্রিয় সেনা ৬ লাখ ৬০ হাজার, যা তিন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিমান ও ট্যাংকের সংখ্যাতেও পাকিস্তান এগিয়ে।
তুরস্ক আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও শক্তিশালী নৌবাহিনীর জন্য পরিচিত। ৪ লাখ ৮১ হাজার সক্রিয় সেনার পাশাপাশি তাদের রয়েছে ১৯২টি নৌযান এবং এক হাজারের বেশি সামরিক বিমান।
সৌদি আরব তুলনামূলকভাবে কম সেনা সদস্য থাকলেও প্রতিরক্ষা ব্যয়ে সবচেয়ে এগিয়ে। বছরে প্রায় ৬৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে দেশটি উন্নত যুদ্ধবিমান ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় বিনিয়োগ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
