শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

মিল্কিওয়ের পুরোনো সংঘর্ষের রহস্য ভেদ নাসার

প্রকাশিত - ১৯ আগস্ট, ২০২৬   ১০:২৭ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : আমাদের গ্যালাক্সি বা মিল্কিওয়ে আজ শতকোটি তারায় ভরা এক বিশাল সর্পিল ছায়াপথ। তবে একসময় এটি এমন ছিল না। প্রায় ১২০০ কোটি বছর আগে এটি অন্য একটি বামন ছায়াপথকে গিলে খেয়েছিল। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যে সম্প্রতি এই প্রাচীন মহাজাগতিক সংঘর্ষের প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ফলে মিল্কিওয়ে সৃষ্টির ইতিহাস সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা আরও ১৮০ কোটি বছর পিছিয়ে গেছে। সোমবার ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ জার্নালে এই গবেষণার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়। জানা যায়, মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ২০০ কোটি বছর পর ‘এলকেএইচ’ নামের একটি বামন ছায়াপথকে নিজের ভেতর টেনে নেয় নবীন মিল্কিওয়ে।

ইতালির বোলোগনা মানমন্দিরের প্রধান গবেষক ডেভিড মাসারি বলেন, আমাদের আবাসস্থল মিল্কিওয়ে কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা আমরা পুরোপুরি জানতাম না। তবে গবেষণায় দেখেছি, এই ছায়াপথ তৈরির প্রথম উল্লেখযোগ্য ইটগুলো এলকেএইচ থেকেই এসেছিল।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির গাইয়া মিশন এবং হাবল টেলিস্কোপের নিখুঁত তথ্য ব্যবহার করে এই ইতিহাস জোড়া লাগিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকা ৩৯টি প্রাচীন নক্ষত্রপুঞ্জ বিশ্লেষণ করেন। সহ-গবেষক চিয়ারা জেরবিনাটি জানান, হাবলের উন্নত প্রযুক্তির কারণে নক্ষত্রপুঞ্জগুলোর বয়স ও ধাতব উপাদান নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব হয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, একদল নক্ষত্রপুঞ্জ ওই এলকেএইচ ছায়াপথেই জন্ম নিয়েছিল। সংঘর্ষের সময় এলকেএইচ-এর ভর ছিল প্রায় ৫০ কোটি সূর্যের সমান। তখন মিল্কিওয়ে অনেক ছোট থাকায়, ওই আদি সংঘর্ষটি আমাদের ছায়াপথের মূল ভিত্তি তৈরিতে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিল।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন