শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত - ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬   ১০:৩৩ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন : ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার বা ৪৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া পেন্টাগনের এক হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সিএনএন।

সূত্রগুলো জানায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয় ছিল প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় হিসেবে আরও ১৫০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে। এতে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারে।

তবে এই হিসাবকে যুদ্ধের মোট ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র হিসেবে দেখছে না সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। কারণ যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনা মেরামতের খরচ এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সামরিক অভিযানের বিভিন্ন পরোক্ষ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাবও কংগ্রেসকে দেওয়া হয়নি।

পেন্টাগনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) আগের পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। সিবিওর হিসাব অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। এর আগে জুলাইয়ে পেন্টাগন যুদ্ধের ব্যয় প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার জানিয়েছিল।

সিবিও জানিয়েছিল, যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা মেরামতের ব্যয় তাদের হিসাবের বাইরে রয়েছে। যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের ব্যয়ই মোট খরচের একটি বড় অংশ বলে উল্লেখ করেছিল সংস্থাটি।

সিবিওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১ আগস্টের পরও সংঘাত চলতে থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে এই ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এদিকে যুদ্ধের প্রভাব মার্কিন অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সিবিও। সংস্থাটির মতে, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। এরই মধ্যে দেশটির জনগণের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।