কংগ্রেসের অনুমোদিত ৮১০ মিলিয়ন ডলারের সরকারি বরাদ্দ বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর বড় একটি অংশ শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী ও অন্যান্য অভিবাসী-সংশ্লিষ্ট সেবায় ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ ছিল।
২৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস থেকে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসনের কাছে পাঠানো চিঠিতে ১১টি বরাদ্দ বাতিলের প্রস্তাব জানানো হয়। প্রস্তাবিত কাটছাঁটের আওতায় রয়েছে বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা, স্বরাষ্ট্র, আবাসন ও নগর উন্নয়ন এবং বিচার বিভাগের বিভিন্ন কর্মসূচি।
এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের শরণার্থী ও অন্যান্য অ-নাগরিকদের সেবায় বরাদ্দ ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার বাতিলের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া অভিবাসী-সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি, শিক্ষা ও অন্যান্য খাতের অর্থও এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত।
ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এসব অর্থের একটি অংশ এখন আর প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউস এই উদ্যোগকে সরকারি ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
তবে প্রস্তাবটি নিয়ে কংগ্রেসে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্সসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতা কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে বাতিল করার উদ্যোগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
‘পকেট রিসিশন’ নামে পরিচিত এই পদ্ধতির মাধ্যমে কংগ্রেসের অনুমোদিত কিন্তু এখনো ব্যয় না হওয়া অর্থ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নির্বাহী ক্ষমতা ও কংগ্রেসের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়ে আইনগত বিতর্কও তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতি সংশোধনের বৃহত্তর কর্মসূচির মধ্যেই এই অর্থ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
