২৪ঘণ্টা অনলাইন : ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ৮১টি যুদ্ধবিমান, সামরিক ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সামরিক সরঞ্জামের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার বলে জানিয়েছে কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)।
সিআরএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে ১২টি এফ-১৫ই, একটি এফ-৩৫, দুটি এ-১০, সাতটি কেসি-১৩৫, একটি ই-৩ সেন্ট্রি, দুটি এমসি-১৩০জে এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ হেলিকপ্টার রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ও হেলিকপ্টারও ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির বড় অংশ ড্রোনের। তালিকায় অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন রয়েছে। এসব ড্রোন নজরদারি ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যবহৃত হয়। ক্ষয়ক্ষতির কারণে মে মাস নাগাদ মার্কিন বিমান বাহিনীর এমকিউ-৯ রিপারের সংখ্যা ১৩৫টিতে নেমে আসে। অথচ প্রয়োজন ছিল অন্তত ১৮৯টি মোতায়েনযোগ্য ড্রোনের।
তালিকায় একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন, তিনটি এমকিউ-১, একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, চারটি এএইচ-৬ লিটল বার্ড এবং একটি এমএইচ-৬০ হেলিকপ্টারও রয়েছে।
সিআরএসের হালনাগাদ হিসাবে মে মাসে প্রকাশিত ৪২টি বিমানের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যের তুলনায় বর্তমান সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। নতুন তথ্য এবং আগে প্রকাশ না হওয়া ক্ষয়ক্ষতির হিসাব যুক্ত হওয়ায় সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। জুনের প্রথম সপ্তাহে অভিযান শেষের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরবর্তী কয়েক মাস দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত ছিল।
আগস্টে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণার পর সামরিক হামলায় কিছুটা বিরতি দেখা গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনো রয়েছে।
