শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের প্রায় অর্ধেক নারী সাইবার বুলিংয়ের শিকার

প্রকাশিত - ৩১ অক্টোবর, ২০২৬   ০৫:২৬ পিএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: প্রযুক্তি-সহায়ক জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতির গবেষণার তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে।

বৃহষ্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘Understanding and Addressing Technology Facilitated Gender Based Violence (TFGBV) in Bangladesh’ বিষয়ক গবেষণার তথ্য উপস্থাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম ও ডিজিটাল রাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী।

আরও বক্তব্য রাখেন প্রধান গবেষক সায়েমা চৌধুরী, গবেষক ও অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফউজুল আজিম এবং উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার লিজা বেগম পিএসসি।

তথ্য উপস্থাপন করেন ডিজিটাল রাইটসের হেড অব রিসার্চ আবদুল্লাহ তিতির এবং বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমান।

তথ্য উপস্থাপন শেষে মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রথম আলো পত্রিকার নাজনীন আখতার, দৈনিক ইত্তেফাকের রাবেয়া বেবী, বাংলাদেশ অ্যাফেয়ার্সের রীতা ভৌমিক, অ্যাডভোকেট সীমা বালা, ওয়াইডব্লিউ সিএ অব বাংলাদেশের খ্রীষ্টিনা দিয়া বালা, দেশ টিভির সুমনা সুমী, নারীপক্ষের সৈয়দা সালমা পারভীন, এফপিএবি’র লুৎফুন নাহার, ব্লাষ্টের উপদেষ্টা প্রিয়া আহসান, অ্যাকশনএইডের সিদরাতুল মুনতাহা, গণসাক্ষরতা অভিযানের সিজুল ইসলাম, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রাশেদুল ইসলাম এবং ব্লাষ্টের মণীষা বিশ্বাস প্রমুখ।

উক্ত গবেষণার তথ্য উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নেত্রীবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলী, কর্মকর্তাগণ এবং সাংবাদিকবৃন্দসহ প্রায় ৬৪ জন উপস্থিত ছিলেন।

সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতির প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।