মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
১৮ কার্তিক ১৪৩৩
নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগের মাস অক্টোবরে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। ফলে এক মাসের ব্যবধানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা।

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল

প্রকাশিত - ০৩ নভেম্বর, ২০২৬   ১২:৩৪ এএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাবে দেশের বাজারেও বাড়ল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগের মাস অক্টোবরে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। ফলে এক মাসের ব্যবধানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা। ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় এলপিজির নতুন দামের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিইআরসি। একই দিন রাত ৮টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নভেম্বর মাসের জন্য প্রতি কেজি বেসরকারি এলপিজির দাম ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা।এর আগে, গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। অর্থাৎ দুই মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ৪৭৫ টাকা।

বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের দাম বৃদ্ধির কারণে নভেম্বর মাসে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছে। সৌদি আরামকো ঘোষিত নভেম্বর মাসের জন্য প্রোপেনের মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৭২০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের মূল্য ৭৮০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দুই উপাদানের মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় গড় সৌদি চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রতি মেট্রিক টন ৭৫৯ মার্কিন ডলার। এর সঙ্গে এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ব্যবসায়ীদের প্রিমিয়াম বাবদ প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ মার্কিন ডলার এবং প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ৪৬ পয়সা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বর মাসে সৌদি চুক্তিমূল্য প্রতি মেট্রিক টনে গড়ে ৪৬ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার বেড়েছে। এর প্রভাবে মূসকসহ ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে প্রায় ৭৪ টাকা। তবে কমিশনের নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী আগের মাসের তুলনায় খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা।

এদিকে, সরকারি এলপিজির দামও বাড়ানো হয়েছে। এলপি গ্যাস পিএলসি সরবরাহকৃত ১২ দশমিক ৫০ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। এ ছাড়া অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি ঘনমিটার ৩৬৮ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিইআরসি জানায়, ২৯ অক্টোবর প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তাব পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ শেষে কমিশন নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করেছে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
চলতি মৌসুমে দুবলার চর থেকে বন বিভাগের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ কোটি টাকা। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছিল প্রায় ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গতবারের আদায়ের তুলনায় এবার ৭৫ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বন বিভাগ।
তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, বাজারের তারল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় সংগঠনটি।
ক্রেতাদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত পণ্যের সঙ্গে সরবরাহ করা পণ্যের মিল থাকে না। কোথাও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছায় না, আবার কোথাও অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-কমার্স খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। পণ্যের সঠিক বিবরণ, মূল্য, সরবরাহের সময়সীমা এবং ফেরত নীতিমালা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত। এ ছাড়া অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণার শিকার হলে ভোক্তারা যাতে সহজেই অভিযোগ জানাতে পারেন, সে জন্য কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করা গেলে অনলাইন ব্যবসার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং দেশের ডিজিটাল বাণিজ্য খাত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ দেয়া হবে।
বাড়তি দামের জন্য কমিশন, পরিবহন ব্যয় ইত্যাদি নানা যুক্তি দেখাচ্ছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো