২৪ঘণ্টা অনলাইন : ইরানে মার্কিন হামলার প্রবল নিন্দা করল রাশিয়া এবং চিন। গোটা বিষয়টিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে তোপ দেগেছে ক্রেমলিন। অন্যদিকে বেজিংয়ের প্রতিক্রিয়া, আমেরিকার এই হামলা রাষ্ট্রসংঘের সনদের বিরোধী। সূত্রের খবর, রবিবারই রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘছি। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি।
ভারতীয় সময় শনিবার গভীর রাতে বোমাবর্ষণ করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশাল মিডিয়া পোস্টে বলেন, আমেরিকা ইরানের তিনটি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ওই তিন পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রগুলি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে মার্কিন সেনা। অন্য কোনও দেশের সেনাবাহিনী এখনও পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান চালাতে পারেনি। আর কোনও সেনার পক্ষে এটা সম্ভবও হত না। সঙ্গে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ইরানের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় আমেরিকা নিশানা সেধে রেখেছে।
হামলার পরেই ইরানের ‘বন্ধু’ রাশিয়া এবং চিন একযোগে আমেরিকার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। বিবৃতি জারি করেছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রকই। রুশ বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়, ‘ইরানের উপর মার্কিন হামলার কড়া নিন্দা করছি। দায়িত্বজ্ঞানহীন এই হামলা আসলে আন্তর্জাতিক আইনের ঘোরতর বিরোধী। মার্কিন হামলার পরে অশান্ত পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তার জেরে ওই এলাকা-সহ গোটা বিশ্বের সুরক্ষা বিঘ্নিত হতে পারে।”
চিনা বিদেশমন্ত্রকের ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে, IAEAর নজরদারিতে থাকা পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। তার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে সঙ্ঘাতের পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দ্রুত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল, এমনটাও বলা হয়েছে বেজিংয়ের তরফ থেকে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে পালটা মারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সেদেশের বিদেশমন্ত্রী পাড়ি দিয়েছেন রাশিয়ায়। এবার কি ইরানের হয়ে আমেরিকাকে জবাব দেবে রাশিয়াই?
