শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ভূমিকম্প আতঙ্কে রাশিয়া, ফের কুরিল দ্বীপে আঘাত

প্রকাশিত - ১১ আগস্ট, ২০২৫   ০১:৩৪ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন : ফের প্রকৃতির রুদ্ররোষে রাশিয়া। এবার ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের কুরিল দ্বীপে ভয়ংকর ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৪। কুরিল অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশ। উল্লেখ্য, গত মাসে রাশিয়ার কামচাটকায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৮। ওই ভূমিকম্পের পরে রাশিয়া ও জাপানে সুনামি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

৯ আগস্ট কুরিল দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় রিখটার স্কেলে ৬.৮ মাত্রার মাত্রায় কম্পন অনুভূত হয়। বড় মাপের কম্পনের বেশ কিছু অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি হয়। অন্যদিকে লাগাতার ভূমিকম্পের জেরে কামচাটকার ক্রাশেনিন্নিকোভ আগ্নেয়গিরি ফের জেগে উঠেছে। ৬০০ বছর পর ফের এই আগ্নেয়গিরিটি সক্রিয় হয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার অফ সেসমোলজির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল রাশিয়ার কুরিল দ্বীপের পূর্বপ্রান্ত। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৩২ কিমি গভীরে। এদিনের ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি।

এর আগে ৩০ জুলাই সকালে ৮.৮ মাত্রার বিরাট কম্পনে কেঁপে ওঠে রাশিয়া। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল রাশিয়ার পূর্ব ক্ষেত্র কামচটকা পেনিনসুলা। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আমেরিকা, জাপান-সহ একাধিক দেশে কম্পন অনুভূত হয়। ঘটনার পর রাশিয়ার উপকূলবর্তী অঞ্চলে সুনামির বিরাট ঢেউ দেখা যায়, যার উচ্চতা ছিল প্রায় ১৩ ফুট। ঘটনার পর জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। উপকূলের মানুষকে দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮.৮ মাত্রা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকে ছোট-বড় কম্পন মিলিয়ে মোট ১২৫ আফটার শক হয়েছে রাশিয়ায়। এর মধ্যে তিনটির মাত্রা ছিল ৬.০ বা তার বেশি। সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল ৬.৯, যা মূল কম্পনের প্রায় ৪৫ মিনিট পরে ঘটেছিল। একের পর এক ভূকম্পে কাঁটা সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে সদা ব্যস্ত প্রশাসন। যে কোনও মুহূর্তে উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। গত রবিবারই কুরিল দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় রিখটার স্কেলে ৬.৮ মাত্রার মাত্রায় কম্পন অনুভূত হয়। এর আগে ৩০ জুলাই সকালে ৮.৮ মাত্রার বিরাট কম্পনে কেঁপে ওঠে রাশিয়া।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।