শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

মানুষ প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে

প্রকাশিত - ২৮ আগস্ট, ২০২৫   ১২:০১ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন : মানুষ তাদের বাড়িতে বা গাড়িতে প্রতিবার নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় সম্ভবত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করে। এই কণা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। প্লস ওয়ান নামের একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে মানুষ প্রতিদিন ৬৮ হাজার পর্যন্ত ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিতে পারে। এর আগের গবেষণাগুলোতে বায়ুবাহিত মাইক্রোপ্লাস্টিকের বৃহৎ টুকরো চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে এগুলি স্বাস্থ্যের জন্য তেমন হুমকিস্বরূপ নয় বলা হয়েছিল। কারণ এগুলো বাতাসে দীর্ঘক্ষণ ভেসে থাকে না বা ফুসফুসতন্ত্রের গভীরে চলে যায় না।

নতুন গবেষণা প্রতিবেদনের লেখকরা জানিয়েছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণাগুলো ১ থেকে ১০ মাইক্রোমিটারের মধ্যে অথবা মানুষের চুলের পুরুত্বের প্রায় এক-সপ্তমাংশ। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য আরো হুমকিস্বরূপ। কারণ এগুলো সহজেই সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে। 

ফ্রান্সের তুলুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষক এবং গবেষণার সহ-লেখক নাদিয়া ইয়াকোভেনকো বলেন, “আমরা যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা পেয়েছি তাতে আমরা বেশ অবাক হয়েছি - এটি পূর্বের অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কণার আকার ছোট এবং টিস্যুতে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য সুপরিচিত, যা বিপজ্জনক। কারণ এটি রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে এবং শ্বাসযন্ত্রের গভীরে যেতে পারে।”

মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র টুকরো যা ইচ্ছাকৃতভাবে ভোগ্যপণ্যে যোগ করা হয়, অথবা বৃহত্তর প্লাস্টিকের তৈরি পণ্য যা ভেঙে যায়। কণাগুলোতে ১৬ হাজার প্লাস্টিক রাসায়নিক রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

নতুন গবেষণায় দেখানো হয়েছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহের প্লাসেন্টাল এবং মস্তিষ্কের বাধা অতিক্রম করতে পারে। এই কণা দেহে প্রবেশের জন্য খাদ্য এবং পানিকে প্রধান এক্সপোজার রুট বলে মনে করা হয়েছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের প্রদাহের সাথে যুক্ত, যা ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।