শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় জেগে উঠল আগ্নেয়গিরি

প্রকাশিত - ২০ নভেম্বর, ২০২৫   ০৪:২৩ পিএম
webnews24

২৪ ঘণ্টা অনলাইন : ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভায় জেগে উঠেছে একটি আগ্নেয়গিরি। বুধবার (১৯ নভেম্বর) এটি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। আগ্নেয়গিরি ছাই আকাশের বড় একটি অংশ ছেয়ে ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। পূর্ব জাভার সেমরু নামের পাহাড়ের ওপরের আগ্নেয়গিরিটি রাজধানী বালি থেকে ৩১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বুধবার দুপুরে সেখানে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ ওয়াফিদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, “মাউন্ট সেমরুর আগ্নেয়গিরির চূড়ার ৮ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সাধারণ মানুষকে যে কোনো ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে যে কোনা সময় পাথর ছিটকে আসতে পারে। যা দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।”

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরির ছাই আকাশের ১৩ কিলোমিটার ওপর পর্যন্ত উঠেছে। তবে সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সক্রিয় আগ্নেয়গিরির পাশের দুটি গ্রামের প্রায় ৩০০ বাসিন্দাকে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত ওই অঞ্চলটি খালি রাখা হচ্ছে।আগ্নেয়গিরি কাছে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকি বিরাজমান আছে বলে জানিয়েছে ভূতাত্ত্বিক সংস্থা। ২০২১ সালে সেমরু আগ্নেয়গিরিতে আরেকবার অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছিল। ওই সময় সেখানে ৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ৫ হাজারের বেশি বাড়ি। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে প্রায় ১৫০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ‘রিং অব ফায়ার’-এর কাছে অবস্থিত। যেখানে মহাদেশীয় প্লেটগুলোর সংঘর্ষের কারণে আগ্নেয়গিরি সক্রিয় ও প্রায়ই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

সূত্র: এএফপি

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।