শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

সাগরের তলায় এশিয়ার সবচেয়ে বড় সোনার খনির সন্ধান পেল চীন

প্রকাশিত - ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫   ১২:৪৬ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : সমুদ্রতলে এশিয়ার বৃহত্তম সোনার খনির সন্ধান পেয়েছে চীন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ শ্যানডংয়ের ইয়ানতাই জেলার লাইজহৌ উপকূলে সাগরের তলদেশে মিলেছে এই খনির সন্ধান। এটিকে এশিয়ার সমুদ্র তলদেশে অবস্থিত বৃহত্তম সোনার খনি বলা হচ্ছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, সাগরতলের সেই খনিতে ৩ হাজার ৯০০ টনেরও (১৩৭.৫৭ মিলিয়ন আউন্স) বেশি সোনা মজুত রয়েছে বলে ধারণা করছেন চীনা ভূতত্ত্ববিদরা, যা চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে মজুত মোট স্বর্ণের ২৬ শতাংশ।চীনা প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় একক সোনার মজুদ। তবে স্বর্ণের মজুতের পরিমাণ জানালেও নিরাপত্তাজনিত কারণে খনিটি সম্পর্কে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য জানাননি কর্মকর্তারা। 

কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, লাইঝৌ এখন চীনের মধ্যে স্বর্ণের মজুত ও উৎপাদন দুই ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থানে রয়েছে।
এর আগে, গত মাসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় লিয়াওনিং প্রদেশে ১,৪৪৪.৪৯ টন মজুতের একটি ‘সুপার-লার্জ’ স্বর্ণভাণ্ডার আবিষ্কারের ঘোষণা দেয় দেশটি। একই মাসে লিয়াওনিং প্রদেশে একটি সোনার খনির সন্ধান পেয়েছিল চীন। সেই খনিটিতেও ১ হাজার ৪৪০ টন স্বর্ণের মজুত রয়েছে বলে জানান চীনা ভূতত্ত্ববিদরা। 

প্রসঙ্গত, চায়না গোল্ড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চীন বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণের আকরিক উৎপাদক। গত বছর মোট ৩৭৭ টন স্বর্ণের আকরিক পাওয়া গেছে দেশটিতে। তবে উৎপাদনে নেতৃত্ব দেওয়া সত্ত্বেও, প্রমাণিত সোনার মজুতের দিক থেকে এখনও সাউথ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলো থেকে চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে চীন। 

 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।