শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

২০২৫ সালে সাগরপথে স্পেনযাত্রায় মোট নিহত ৩০৯০ : প্রতিবেদন

প্রকাশিত - ০১ জানুয়ারি, ২০২৬   ০১:১৮ পিএম
webnews24

২৪ ঘণ্টা অনলাইন : ২০৩০ সালের ১ জনুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনে যাওয়ার পথে নিহত হয়েছেন ৩ হাজার ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। এদের সবাই নৌকাডুবির শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯২ জন নারী এবং ৪৩৭ জন শিশুও আছে। মোট ৩০টি দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা রয়েছেন নিহতের এ তালিকায়। অধিকাংশ দেশই পূর্ব ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের; এর বাইরে পাকিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, ইরাক ও মিসরের নাগরিকরাও রয়েছেন।

গতকাল ৩১ ডিসেম্বর বুধবার স্পেনভিত্তিক অভিবাসী অধিকার সংস্পথা কামিনান্দো ফ্রন্তেয়ার্স একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে এসব তথ্য। সাগরপথে যারা স্পেনে যাওয়ার একমাত্র রুট হলো উত্তর আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ার উপকূল। এই উপকূল থেকে রওনা হয়ে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানো সম্ভব। ইঞ্জিনচালিত নৌযানে এই পথে মৌরিতানিয়া থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছাতে সময় লাগে ১২ দিন।

বছরের বেশিরভাগ সময়েই এ পথটি খুব বিপজ্জনক থাকে। তবে বিকল্প কোনো পথ না থাকায় এই পথই বেছে নেন স্পেনে যেতে ইচ্ছুক অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।২০২৫ সালে মৌরিতানিয়া-ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ রুটে মৃত-নিখোঁজের সংখ্যা অবশ্য আগের বছর ২০২৪ সালের চেয়ে কম। ২০২৪ সালের পুরো বছর এই রুটে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১০ হাজার ৫৪৭ জন। তবে অভিবাসী অধিকারকর্মীরা বলেছেন, মৃতের সংখ্যা কমে যাওয়া মানে এই সাগরপথ নিরাপদ হয়ে গেছে— এমন নয়। বিপদসঙ্কুল সাগরপথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যাতায়াত হ্রাস করতে সীমান্ত বিধিনিষেধ শিথিলের আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।