শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

ইরানের হামলায় কুয়েতে ৩৮ মার্কিন সেনা আহত

প্রকাশিত - ১২ মার্চ, ২০২৬   ০১:৩৩ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১২ দিনে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা। ১১ মার্চ  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস।

হাসপাতালে ভর্তি এই সেনারা ব্রেইন ট্রমা, আগুনে পোড়া ও শার্পনেলের আঘাতে আহত হয়েছেন; অন্ত একজন আছেন অঙ্গহানির মুখে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই সেনার একটি পা কেটে ফেলতে হবে। এই আহতদের মধ্যে অন্তত একজন সেনার একটি পা কেটে ফেলতে হবে।

আহত ৩৮ জনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে ১৩ জনকে। সিবিএএসের প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে এই ৩৮ সেনার মধ্যে একজন টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রুক আর্মি মেডিকেল সেন্টার, ১২ জন ওয়াশিংটনের কাছে অবস্থিত ওয়াল্টারে রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন। বাকি ২৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন জার্মান্তির ল্যানস্তুল রিজিওয়ানল মেডিকেল সেন্টারে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতরিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, এই ৩৮ সেনার মধ্যে অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন আর্মি সেন্ট্রালের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর ‘ক্যাম্প আরিফজান’ এবং ইরাক সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘আলী আল সালেম’ বিমানঘাঁটি। বিচ্ছিন্ন ও রুক্ষ পরিবেশের কারণে এটি ‘দ্য রক’ নামে পরিচিত। এ ছাড়া ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত ‘ক্যাম্প বুহেরিং’ বর্তমানে ইরাক ও সিরিয়ায় মোতায়েন হওয়া মার্কিন সেনা ইউনিটগুলোর একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতেও মুহুর্মুহু ড্রোন-ক্ষেফণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান। সেসবের অধিকাংশকে আটকে দেওয়া গেলেও কয়েকটিকে আটকানো সম্ভব হয়নি।

পেন্টাগনের মুখপাত্র সিন পার্নেল সিবিএসকে জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গত ১১ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে আহত হয়েছেন প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা।

সূত্র : সিবিএস, আনাদোলু এজেন্সি

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।