শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রথমবারের মতো ‘নৃত্যরত’ সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

প্রকাশিত - ১৬ মার্চ, ২০২৬   ০২:০৯ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক সেজ্জিল-২ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ নামে পরিচিতি পাওয়া সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন। ১৫ মার্চ প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি। রোববার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১৬তম দিন পেরিয়েছে।

‘নৃত্যরত ক্ষেপণস্ত্র’ ছাড়াও সেজ্জিলের আরও দু’টি নাম আছে— সাজ্জিল এবং আশুরা। এটি ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করা একটি শক্তিশালী মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র , যা সর্বোচ্চ  ২০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দুই স্তরের এই ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ ৭০০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণনের সময় তরল জ্বলানির পরিবর্তে ‘সলিড জ্বালানি’ ব্যবহার করা হয় এবং এটির হাই-অল্টিচ্যুড ম্যানুয়েভারিং সক্ষমতার জন্য একে নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্যান্সিং মিসাইল বলা হয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনারল স্টাডিজের তথ্য অনুসারে, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ ১৮ মিটার (প্রায় ৫৫ ফুট), ব্যাস ১ দশমিক ২৫ মিটার (প্রায় সাড়ে ৪ ফুট) এবং ওজন ১২ হাজার ৬০০ কেজি।

গত নব্বইয়ের দশকের সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করে ইরান, ২০০৮ সালে তা শেষ হয় । ওই বছরই প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি। সেজ্জিলের দু’টি সংস্করণ আছে— সেজ্জিল-১ এবং সেজ্জিল-২। প্রথমটি স্বল্পপাল্লার, দ্বিতীয়টি মাঝারিপাল্লার। গতকাল রোববার সেজ্জিল-২ নিক্ষেপ করেছে ইরান।

সূত্র : এএফপি

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে নতুন চমক দেখালেন ইলন মাস্ক। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের টেসলা রোডস্টার উন্মোচন করেছে টেসলা। গাড়িটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার নয়—স্পেসএক্সের প্রযুক্তিতে তৈরি থ্রাস্টারের সাহায্যে বিশেষ পরিস্থিতিতে মাটি ছেড়ে আকাশেও উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্পেসএক্সের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে গাড়িটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রোডস্টারকে বিশেষ র‍্যাম্পে উল্টোভাবে চলতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং থ্রাস্টারের সাহায্যে অন্য গাড়ির ওপর দিয়ে লাফিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রদর্শনীতে গাড়িটির ভেতরে কোনো চালক ছিলেন না।