শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় যে খাবার

প্রকাশিত - ১৫ জুন, ২০২৬   ১০:৫৬ এএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন: ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে গেঁটেবাত, কিডনিতে পাথরসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওষুধের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিছু খাবার শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়ায়, আবার কিছু খাবার এর স্বাভাবিক নির্গমনে বাধা সৃষ্টি করে। তাই উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগলে কয়েকটি খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি।

কলিজা ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাংস: কলিজা, কিডনি ও মগজের মতো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাংসে পিউরিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। পিউরিন ভেঙে শরীরে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়, ফলে এসব খাবার নিয়মিত খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

লাল মাংস: গরু ও খাসির মাংসসহ লাল মাংসে উচ্চমাত্রার পিউরিন থাকে। অতিরিক্ত লাল মাংস খেলে শরীরের পক্ষে ইউরিক অ্যাসিড স্বাভাবিকভাবে অপসারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কিছু সামুদ্রিক মাছ ও খাবার: চিংড়ি, শেলফিশ, সার্ডিন ও অ্যাঙ্কোভির মতো সামুদ্রিক খাবারেও পিউরিনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে এসব খাবার সীমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

চিনিযুক্ত পানীয়: সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস এবং প্যাকেটজাত ফলের রসে থাকা ফ্রুক্টোজ শরীরে ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে এসব পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

অ্যালকোহল: অ্যালকোহল শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কিডনির মাধ্যমে এর নির্গমনও কমিয়ে দেয়। তাই গেঁটেবাত বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের জন্য এটি বড় ঝুঁকির কারণ।

ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার: প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, ইনস্ট্যান্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং তেলে ভাজা খাবার ওজন বৃদ্ধি ও প্রদাহের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব কারণে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে।

পরিশোধিত শর্করা: সাদা রুটি, কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি ও বিভিন্ন মিষ্টিজাত খাবার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়াতে পারে। এর ফলে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড নির্গমন বাধাগ্রস্ত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হয়।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন