২৪ঘণ্টা অনলাইন: গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মৌসুম। স্বাদ, সুগন্ধ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলকে বলা হয় ‘ফলের রাজা’। ভিটামিন এ, সি, ফোলেট, ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ আম শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।
তবে বাজারে এখন অনেক আম কৃত্রিম উপায়ে পাকানো হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই আম কেনার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সহজেই ভালো ও গাছপাকা আম চেনা সম্ভব।
স্পর্শেই মিলবে ইঙ্গিত: পাকা আম সাধারণত হালকা নরম হয়। হাতে আলতো চাপ দিলে যদি সামান্য দেবে যায়, তবে সেটি খাওয়ার উপযোগী। তবে অতিরিক্ত নরম হলে আমটি বেশি পেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
গন্ধেই বোঝা যাবে মিষ্টি আম: একটি আম মিষ্টি কি না, তা অনেকাংশে বোঝা যায় এর ঘ্রাণ থেকে। আমের বোঁটার কাছে নাক নিয়ে গেলে যদি প্রাকৃতিক মিষ্টি সুগন্ধ পাওয়া যায়, তাহলে সেটি সাধারণত রসালো ও সুস্বাদু হয়। অন্যদিকে কোনো গন্ধ না থাকলে বা কৃত্রিম ও ঝাঁজালো গন্ধ এলে সতর্ক হওয়া উচিত।
রঙের দিকে নজর দিন: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের গায়ে একাধিক শেড বা রঙের তারতম্য দেখা যায়। বিশেষ করে বোঁটার কাছের অংশে কিছুটা গাঢ় রঙ থাকতে পারে। কিন্তু রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আমে প্রায়ই সমান হলুদ রঙ দেখা যায়।
ত্বকের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন: ভালো পাকা আমের খোসা সাধারণত সতেজ ও স্বাভাবিক দেখায়। অতিরিক্ত চকচকে বা অস্বাভাবিক রঙের আম কেনার আগে সতর্ক থাকা ভালো।
স্বাদ ও ঘ্রাণে থাকে পার্থক্য: গাছপাকা আমে প্রাকৃতিক টক-মিষ্টি স্বাদ এবং মনমাতানো ঘ্রাণ থাকে। বিপরীতে কৃত্রিমভাবে পাকানো আমে অনেক সময় স্বাদ ফিকে লাগে এবং প্রত্যাশিত সুগন্ধ পাওয়া যায় না।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আম কেনার সময় শুধু রঙ দেখে নয়, গন্ধ, স্পর্শ ও সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করে কিনলে সহজেই ভালো ও নিরাপদ আম বেছে নেওয়া সম্ভব।
