২৪ঘন্টা অনলাইন : শুধু মানুষ নয়, বিড়ালেরও দাদ হতে পারে। ছত্রাকজনিত এই সংক্রমণ পোষ্যের শরীর থেকে মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বিশেষ করে বর্ষাকালে পোষ্যের পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি নিজের সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাদ হলে বিড়ালের শরীরের কোনো অংশে গোলাকারভাবে লোম ঝরে যেতে পারে। আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে এবং তীব্র চুলকানি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় বিড়াল বারবার সেই জায়গা আঁচড়াতে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে লোমের রঙ বদলে যায় বা নখেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সব সময় লক্ষণ দেখা যায় না। অনেক বিড়াল বাহ্যিক কোনো উপসর্গ ছাড়াই দাদের জীবাণু বহন করে। এমন অবস্থায় মানুষ বা অন্য প্রাণীর সংস্পর্শে এলেও সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।
পশু চিকিৎসকদের ভাষ্য, দাদের ছত্রাক বিছানা, কার্পেট, কম্বল, চিরুনি কিংবা পোষ্যের ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসে ১৮ মাস পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এই ছত্রাক দ্রুত ছড়ায়। তাই বর্ষায় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
ছোট ও বয়স্ক বিড়াল দাদে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকে। তাই নিয়মিত পশু চিকিৎসকের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত। প্রয়োজন হলে বিশেষ আলো দিয়ে সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। আক্রান্ত হলে মলম, শ্যাম্পু বা ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুরোপুরি সেরে উঠতে সাধারণত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ সময় লাগে।
সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন
