২৪ঘন্টা অনলাইন : “রাত জেগে মোবাইলের আলোয় চোখের পাতা এক করতেই পারছে না সন্তান? সামান্যতেই মেজাজ হারাচ্ছে, ভুলে যাচ্ছে পড়ালেখার কথা? সাবধান, হয়তো অজান্তেই আপনার সন্তান শিকার হচ্ছে 'স্মার্টফোন ব্রেন'-এর!”
নিউরো বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডের মতো বিশ্বখ্যাত গবেষকরা শোনালেন এক ভীতিকর বার্তা! অবিরত স্ক্রিন টাইমের চক্করে কিশোর-কিশোরীদের মগজের ভেতর বদলে যাচ্ছে জটিল সব স্নায়বিক বিন্যাস।
ফোন থেকে নির্গত বিষাক্ত নীল আলো মগজের স্মৃতি ধারণকারী অংশ ‘হিপ্পোক্যাম্পাস’-কে এক প্রকার অকেজো করে দিচ্ছে!
ফলাফল? আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ব্রেন ফগ, সিদ্ধান্তহীনতা আর সাময়িক স্মৃতিনাশ! অবস্থা এতটাই মারাত্মক যে, খুব কম বয়সেই ছোটদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে ‘ভাস্কুলার ডিমেনশিয়া’-র মতো রোগ।
গুগল আর এআই-এর ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতায় লোপ পাচ্ছে সৃজনশীলতা। অন্যদিকে রাতের বেলা পিনিয়াল গ্ল্যান্ডকে বিভ্রান্ত করে মেলাটোনিন কম তৈরি হওয়ায় চিরতরে উড়াল দিচ্ছে রাতের ঘুম!
বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্মার্টফোন হয়তো বাদ দেওয়া যাবে না, কিন্তু ২০ মিনিটের বেশি একটানা স্ক্রিনে তাকানো বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে শিশুদের হাত থেকে কাড়তে হবে মুঠোফোন!
নতুবা অলক্ষ্যেই ডিজিটাল এই ফাঁদে ধ্বংস হয়ে যাবে এক পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যত!
