২৪ঘন্টা অনলাইন : “সিগারেটের প্যাকেটে ক্যানসারের ভয়াবহ ছবি আর সংবিধিবদ্ধ সতর্কবার্তা তো সবাই দেখেন! কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি—যুগ যুগ ধরে ধূমপান করেও অনেকে দিব্যি সুস্থ থাকেন, আবার ধূমপান না করেও অনেকে ক্যানসারে আক্রান্ত হন কেন?”
অতিরিক্ত ধূমপান করার পরও সবার কেন ক্যানসার হয় না—এর পেছনে থাকা আসল রহস্য উন্মোচন করেছেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা!
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, তামাক একা খলনায়ক নয়; কার ক্যানসার হবে আর কার হবে না, তা মূলত নির্ভর করছে মানুষের জিন বা ডিএনএ-র ওপর!
সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা বিষাক্ত উপাদান মানবদেহের কোষে আঘাত হানে। কিন্তু বংশানুক্রমে প্রাপ্ত জিনের গঠন যদি এই রাসায়নিকের প্রভাবে বিকৃত বা ‘মিউটেশন’ ঘটায়, কেবল তখনই শরীরে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধি পেয়ে ক্যানসার দেখা দেয়।
গবেষকদের মতে, যাদের জিন এই বিষাক্ত আঘাত সহ্য করেও অবিকৃত থাকে, তারা ধূমপায়ী হলেও অলৌকিকভাবে ক্যানসার থেকে বেঁচে যান।
তবে জিনের এই রহস্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থা কার শরীরে কীভাবে কাজ করছে, তা পরীক্ষা ছাড়া বোঝা অসম্ভব!
তাই ‘আমার ক্যানসার হবে না’ ভেবে ধূমপান চালিয়ে যাওয়াকে চরম আত্মঘাতী বলছেন চিকিৎসকরা। কারণ যেকোনো মুহূর্তে তামাক জিনের গঠন বদলে দিয়ে ডেকে আনতে পারে জীবনঘাতী এই রোগ!
সূত্র : আনন্দবাজার
