২৪ঘণ্টা অনলাইন: পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ও শুক্রাণুর মান নানা কারণে প্রভাবিত হতে পারে। জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন ও ক্ষতিকর পদার্থের ব্যবহার এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে কিছু বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
অ্যানাবলিক স্টেরয়েড: শরীরের পেশি দ্রুত বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত অ্যানাবলিক স্টেরয়েড হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন বা অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং অণ্ডকোষের আকারও ছোট হতে পারে।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল : নিয়মিত ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ পুরুষের হরমোনের ভারসাম্য ও শুক্রাণুর গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে প্রজনন সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
ধূমপান : সিগারেটের তামাক ও অন্যান্য রাসায়নিক শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গুণমানের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রজননস্বাস্থ্য ভালো রাখতে ধূমপান এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ: দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা হরমোনের ভারসাম্য, যৌনস্বাস্থ্য ও জীবনযাপনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যে সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
অতিরিক্ত ওজন : স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন পুরুষের হরমোনের ভারসাম্য এবং শুক্রাণুর মানের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পরিমিত খাবার ও স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা প্রজননস্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।
তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে শুধু জীবনযাপনের অভ্যাস নয়, হরমোনজনিত সমস্যা, সংক্রমণ, কিছু ওষুধ, জেনেটিক কারণসহ বিভিন্ন বিষয় থাকতে পারে। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না এলে বা সন্দেহ থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা উচিত।
