২৪ঘণ্টা অনলাইন: পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাবারের তালিকায় ডিমের অবস্থান বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও প্রয়োজনীয় চর্বি রয়েছে। সকালের নাশতায় ডিম রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম থাকতে সহায়তা করতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পরিমাণ ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। সকালে ডিম খাওয়ার কয়েকটি সম্ভাব্য উপকার হলো—
দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে : ডিমে থাকা প্রোটিন তৃপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে নাশতার পর দ্রুত ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমতে পারে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়াও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
পেশি গঠনে সহায়তা করে : ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন পেশি গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শরীরচর্চা করেন এমন ব্যক্তিদের খাদ্যতালিকায়ও ডিম রাখা যেতে পারে।
মস্তিষ্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ : ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় একটি পুষ্টি উপাদান। এটি স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন কাজে ভূমিকা রাখে।
হাড়ের স্বাস্থ্যে সহায়ক : ডিমে ভিটামিন ডিসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা হাড়ের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।
চোখের যত্নে উপকারী : ডিমের কুসুমে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো উপাদান রয়েছে। এগুলো চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ত্বক ও চুলের জন্য পুষ্টি জোগায় : ডিমের প্রোটিন, বায়োটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান চুল ও ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা ঠিক করা ভালো।
