রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সান সিরোতে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ডার্বির আগে এসি মিলানের ‘হল অব ফেইম’-এর বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাকা। গ্যালারিভর্তি সমর্থকদের দাঁড়িয়ে অভিবাদনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। মিলানের হয়ে ৩০৭ ম্যাচে ১০৪ গোল করা কাকা সাক্ষাৎকারে ক্লাবের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানান।

সান সিরোতে কাকাকে বিশেষ সম্মাননা দিল এসি মিলান

প্রকাশিত - ০১ নভেম্বর, ২০২৬   ১০:১৫ পিএম
webnews24
ছবি : সংগৃহীত

২৪ঘন্টা ডেস্ক: ২৪ঘন্টা ডেস্ক : ফুটবল মাঠে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের জন্ম দিয়েছেন তিনি। তবে সাবেক ক্লাব এসি মিলানের সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা যে এখনো তাঁর কাছে কতটা মূল্যবান, তা আবারও দেখা গেল সান সিরোর গ্যালারিতে। ক্লাবের ‘হল অব ফেইম’-এর বিশেষ স্বীকৃতি পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের সাবেক তারকা কাকা।

ইন্টার মিলানের বিপক্ষে মিলান ডার্বির আগে বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে কাকাকে সম্মান জানায় এসি মিলান। এ সময় গ্যালারির দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান। সমর্থকদের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার।

ম্যাচ শেষে ডিএজেডএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাকা বলেন, সান সিরোতে মিলানের সমর্থকদের সামনে দাঁড়ানোর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ক্লাবটির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে কেবল মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়, সমর্থকদের প্রতিক্রিয়ায় সেটিই যেন নতুন করে স্পষ্ট হয়েছে।

এসি মিলানের জার্সিতে কাকার অর্জনের তালিকাও বেশ সমৃদ্ধ। ক্লাবটির হয়ে ৩০৭ ম্যাচ খেলে ১০৪ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ৮১টি গোল করিয়েছেন তিনি। ২০০৩-০৪ মৌসুমে সিরি আ এবং ২০০৬-০৭ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর।

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময়গুলোর একটি ছিল ২০০৬-০৭ মৌসুম। ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১০ গোল করে মিলানকে শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন কাকা। অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সে বছর ব্যালন ডি’অর, ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় ও উয়েফা ক্লাব ফুটবলার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারও জেতেন তিনি। এসি মিলান ও ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ব্যালন ডি’অরজয়ী ফুটবলারও কাকাই।

সাক্ষাৎকারে বর্তমান দল নিয়েও নিজের ভাবনার কথা জানান এই ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি। মিলানের স্কোয়াডে আরও বেশি ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় দেখতে চান তিনি। পাশাপাশি বন্ধু লুকা মদ্রিচের প্রশংসা করেন। ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিককে নিয়েও রসিকতা করেন কাকা। তাঁর মতে, পুলিসিকের বর্তমান পারফরম্যান্সের সঙ্গে সাবেক সতীর্থ আন্দ্রি শেভচেঙ্কোকে ঘিরে সমর্থকদের জনপ্রিয় স্লোগান—‘সে ব্রাজিলিয়ান নয়, কিন্তু’—বেশ মানিয়ে যায়।

ফুটবলে সময় বদলায়, খেলোয়াড় বদলায়, বদলে যায় দলও। কিন্তু কিছু সম্পর্ক থেকে যায় দীর্ঘদিন। সান সিরোর গ্যালারিতে কাকার আবেগঘন মুহূর্ত যেন আবারও মনে করিয়ে দিল, এসি মিলানের ইতিহাসে তাঁর জায়গা শুধু পরিসংখ্যানের পাতায় নয়, সমর্থকদের হৃদয়েও।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের হয়ে ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রথম আন্তর্জাতিক স্বর্ণ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন বন্যা আক্তার। নারী কম্পাউন্ড ব্যক্তিগত ফাইনালে কাজাখস্তানের মিলানা বুরলেভাকে ১৪৫-১৪৩ স্কোরে হারান তিনি। এয়ারপোর্টে উচ্ছ্বসিত বন্যা জানান ‘এটা আমার প্রথম ব্যক্তিগত এশিয়া কাপের স্বর্ণপদক। এই সাফল্য আগামীতে বিশ্বকাপ, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা অলিম্পিকের মতো বড় আসরে ভালো করার অনুপ্রেরণা দেবে। এখানকার অভিজ্ঞতা পরবর্তী প্রতিযোগিতায় কাজে লাগাতে চাই।’
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে দ্বিতীয় বড় জয় তুলে নিল আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। গ্রুপ ‘এ’ তে এই জয় তিন ম্যাচে ২ জয়, ১ ড্রতে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের পথে অনেকটা এগিয়ে গেল।গ্রুপ ‌‘বি’তে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশকে (ইউল্যাব) ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারায় এআইইউবি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে নাঈম ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। এবার ব্যাট হাতেও নিজের সামর্থ্য দেখালেন ডানহাতি এই টেলএন্ডার ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭২ রান করার পর ২৭ রানের লিড পেয়েছিল।
“তাকে নিয়ে সতর্ক থাকুন। তাৎক্ষণিক সাফল্য পাওয়ার আশায় সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে মেরে ফেলবেন না।”