২৪ঘন্টা অনলাইন: অস্ত্র ও অবৈধ সামগ্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন অভিযোগে ইরানে প্রবেশের স্থলপথগুলো কীভাবে ব্যাহত করা যায়, তা খতিয়ে দেখতে ২০ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এই নতুন বিধিনিষেধের ফলে ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের পরিধি আরও বাড়বে। দুই দেশের মধ্যে আট মাস ধরে চলা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। ৭ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার বলেন, এই টাস্কফোর্সের কার্যক্রম ইরানের সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্নির্মাণ এবং সামরিক সরঞ্জামের মজুত পুনরায় গড়ে তোলার সক্ষমতা আরও সীমিত করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্লোরিডায় অবস্থানরত বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত দলটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইরানের স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা, দ্বৈত ব্যবহারের প্রযুক্তি, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত সামগ্রী এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধের উপায় খুঁজে বের করবে তারা।এদিকে তেহরানও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করেছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করার তেহরানের পদক্ষেপের জবাবে এ অবরোধ আরোপ করা হয়। বিশ্বে মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, এই অবরোধের ফলে ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে।
