২৪ঘণ্টা অনলাইন : রজোনিবৃত্তির সময়কাল এবং তার আগের দুই থেকে তিন বছর (চিকিৎসকেরা ওই পর্বটিকে বলেন ‘পেরিমেনোপজ) এমন এক পর্যায় আসে, যখন মহিলাদের শরীরে হরমোনের তারতম্য খুব বেড়ে যায়। তারই প্রভাব হিসেবে নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায় ত্বকে। তা নিয়ে অনেক মহিলাই অস্বস্তি, অবসাদে ভুগতে শুরু করেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে সেই সমস্যার কথা উল্লেখ করে নিরাময়ের পথ বাতলে দিলেন মুম্বই নিবাসী পুষ্টিবিদ বিশাখা শিবদাসানি।
মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যেতে থাকে এ সময়ে। ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে গেলে ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। ত্বকের স্বাভাবিক তেল উৎপাদনের ক্ষমতাও হ্রাস পেতে থাকে। ফলে ত্বকের আস্তরণ হিসেবে তেলের পরিমাণ কমে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে উঠবে। অন্য দিকে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা হ্রাস পেতে থাকলেও ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের পরিমাণ কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদ ত্বকচর্চার নির্দিষ্ট রুটিনের কথা জানালেন। একই সঙ্গে কোন কোন কাজে ত্বক আরও রুক্ষ হবে, তা-ও বলে দিলেন তিনি।
কী করলে ত্বকের এই পরিবর্তন সামলানো সম্ভব হবে?
পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, এই টোটকাগুলি কাজে না এলে তখন মহিলারা টপিক্যাল ক্রিম ব্যবহার করা শুরু করতে পারেন। ত্বকের রুক্ষতা থেকে মুক্তি দিতে পারে এই ক্রিম। সুতরাং ‘মেনোপজ়’ এবং ‘পেরিমেনোপজ়’-এর সময়ে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা শুরু হলে দুশ্চিন্তা না করে সাধারণ ঘরোয়া পন্থায় ত্বকচর্চা করলে উপকার মিলতে পারে। কিন্তু নিয়মিত এই রুটিন মেনে চলতে হবে।
