২৪ঘণ্টা অনলাইন : নামেই যেনো যাদু মাখানো। কৃষি বাড়ি রিসোর্ট। চারিদিকে সবুজে পরিপাটি। প্রকৃতির মায়া জড়ানো নৈসর্গিক অপরূপ পরিবেশ। সেখানেই উৎসবানন্দের পরসা সাজিয়েছিল ব্যালেন্স ইয়োগা। উদযাপনের শিরোনাম বার্ষিক পিকনিক ও যোগা ডে। সারাদিনের আয়োজনের শুরু সকাল সাড়ে টায়। বিদায়লগ্নে নেমেছিল গোধুলি বেলা।

দিনটি ছিল ১ ফেরুয়ারি। ঢাকার প্রান্ত সীমানায় ভাকুর্তার কৃষিবাড়ির বিশাল আঙিনায় ৬ বছরের শিশু থেকে ৬৫ ছুঁই ছুঁই ইয়োগীদের সম্মিলনে উপস্থিত ২৮ জন। শীতের বিদায় বেলা সক্কাল সক্কাল যাত্রায় ছিল প্রাণচাঞ্চল্য আর উচ্ছ্বাস। গন্তব্য কৃষি বাড়ি রিসোর্ট। মনোরম পরিবেশে পৌঁছে সবাই একসঙ্গে নাস্তার আয়োজন। রোদ বাড়তেই সুইমিং পুলে জলকেলি। অন্যদিকে ইয়োগীরা ব্যস্ত ছিলেন নিজ নিজ যোগাসনের প্রস্তুতিতে।

যোগাসনভিত্তিক তাড়াসন, দণ্ডাসন, বৃক্ষাসন, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ও পিলো পাসিংয়ের অংশ নেন ব্যালেন্স ইয়াগার সদস্যরা। সেখানে ছিল— ছোটদের গ্রুপ, বয়স্কদের গ্রুপ এবং নারী সদস্যদের আলাদা গ্রুপ। অংশগ্রহণকারীদের মোট ১৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ছিল কমল পুরস্কার। যা আয়োজনকে আরও আনন্দময় করে তোলে। দুপুরের ভোজন বিলাসের পর বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। বিকেলের স্নাক্স খেতে খেতে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন অভ্যাগতরা।
স্বাস্থ্যচর্চা, বিনোদন ও পারস্পরিক বন্ধনের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয় ব্যালেন্স যোগা সেন্টারের এই বিশেষ আয়োজন। অংশগ্রহণকারীদের মতে, এমন আয়োজন নিয়মিত হলে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও আরও বাড়বে।

ব্যালেন্স ইয়োগার প্রতিষ্ঠাতা আইরিন পারভীন শিলা বলেন, খটখটে যান্ত্রিক রাজধানীর বাইরে গিয়ে অক্সিজেন খুঁজে নিতেই এমন আয়োজন ঢাকার বাইরে। এখানে আমরা সারাদিন প্রাণভরে সবুজের মাঝে সতেজ সজিবতা খুঁজে বেড়িয়েছি। যারা এসেছেন তাদের সকলের প্রতি নমিত কৃদজ্ঞতা।
অনুষ্ঠান-আয়োজনকে সফল করতে অনেকের মধ্যে উদ্যোগী ভূমিকায় ছিলেন সাজিয়া মাহমুদ, জয়া বণিক, রুখসানা বেগম, আসমিলা আলম, সামিহা, তানিয়া, মুনিরা, কলি প্রমুখ।
