শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ব্যালেন্স ইয়োগা শরীর–মন–আত্মার প্রশান্তি এক কেন্দ্র

প্রকাশিত - ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬   ১২:০৯ পিএম
webnews24

২৪ঘণ্টা অনলাইন : মানুষ যোগায় আসে কোনো না কোনো সমস্যাকে সঙ্গে করে। কারও শরীর ব্যথায় জর্জরিত। কারও মন অস্থির। কারও জীবনে ভারসাম্যহীন। ক্লান্তিময় বিশাদে ভরা। ব্যালেন্স ইয়োগাতে সেই মানুষগুলো আসে আশার আলো নিয়ে। কিছুদিন অনুশীলনে যখন তারা স্বস্তির ছোঁয়া পায়, তখন তাদের প্রাপ্তির আনন্দ চোখেমুখে ফুটে নির্মল এক আভা। যেনো কেনো আগে শুরু করিনি ইয়োগা।
 
ব্যালেন্স ইয়োগার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে আইরিন পারভীন শিলার হাত ধরে। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যোগা তার যাপিত জীবনচর্চা, ইয়োগা আরাধনা। এই দীর্ঘ পথচলায় তার উপলব্ধি— মানুষের শরীর ও জীবনের ভারসাম্য গড়ে ওঠে তিনটি স্তরে। সেই তিন স্তরের সামঞ্জস্য রক্ষাই যোগার মূল শক্তি। এই ভাবনা থেকেই ওঠেছে ব্যালেন্স ইয়োগা। যেখানে যোগা শুধু ব্যায়াম নয়, বরং সুস্থ জীবনের দর্শন।

ব্যালেন্স ইয়োগার বিশেষত্ব হলো—এখানে বয়স কোনো বাধা নয়। ১০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী মানুষও এখানে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যোগা শিখতে পারেন। ধীরে, যত্নে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিটি আসন ও অনুশীলন করানো হয়, যাতে শরীর তার স্বাভাবিকতা ফিরে পায়।

২০২২ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যালেন্স ইয়োগার পথচলা শুরু। ধীরে ধীরে, নিষ্ঠা ও বিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলেছি তাদের গতিময় অভিযাত্রা। সেই অভিযাত্রা সাফল্য আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে। এখানে যারাই শিক্ষার্থী তারাই ব্যালেন্স ইয়োগা পরিবারের অংশ। এই সম্পর্ক প্রশিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে আস্থার বন্ধনে সমৃদ্ধ।

ইয়োগায় ব্যথা কমেছে, অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, জীবনে ফিরেছে স্বস্তি ও ভারসাম্য। এর চেয়ে কেউ বেশি আশা করে না। এই সেন্টারে প্রত্যেকের সমস্যা আলাদা করে বুঝে সেই প্রয়োজন অনুযায়ী যোগা করানো হয়। সে কারণেই ব্যালেন্স ইয়োগা উপকার এবং ভালো লাগার অনুভূতি নিয়ে ছুটে চলছে। যেখানে যোগা হয়ে ওঠে যাপিত জীবনের ভারসাম্য।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন